পোস্টগুলি

Alor Sandgane - আলোর সন্ধানে

ছবি
https://shrishriharichandthakur.blogspot.com সপ্তম পর্বঃ মতুয়া ধর্ম ‘ বেদ - বিধি ’ র মধ্যে আবদ্ধ নয় : https://shrishriharichandthakur.blogspot.com শ্রীশ্রীহরি - গুরুচাঁদ ঠাকুরের চিন্তাধারা - কর্মধারা কোন বাঁধা - ধরা গন্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় । স্থান এবং কালের সাপেক্ষে মানুষের কাছে যা কিছু মঙ্গলকর তা ’ ই গ্রহণযোগ্য । তাঁদের প্রতিটি কথায় ও কাজে এর পরিচয় পাওয়া যায় । হরিচাঁদ ঠাকুর ‘ সতীদাহ প্রথা ’   সম্পর্কে বলেছিলেন ------“ যারা শাস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নিরাপরাধ , অসহায় মাতৃ জাতিকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যা করতে পারে , সেই শাস্ত্র - গ্রন্থ আমি মানি না ” । আরও বলতেন ------“ মানুষের জন্য শাস্ত্র , কোন শাস্ত্র - গ্রন্থের জন্য মানুষ নয় ” । তিনি সমস্ত ধর্মীয় গন্ডীর বাইরে বেরিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন সর্বক্ষেত্রেই । হরিচাঁদ ঠাকুরের ‘ সঙ্গী - সাথী ’- দের মধ্যে অনেক মহাপ্রাণ ভক্তরা ছিলেন । তৎকালীন কঠিন সামাজিক পরিস্থিতিতে মানুষকে সংঘবদ্ধ করা ও হরিনাম প্রচারের জন্য এদের অবদান ছিল অসামান্য । শ্রীশ্রীহরিচাঁদ ঠাকুরের তিরোধানের পর অনেকেই চরম উদাসীন হয়ে পড়েন কারণ , প্রেমেতে বিভোল ভক্ত ’ রা শ্রীশ্রীহরি ...

Alor Sandhane - আলোর সন্ধানে

ছবি
ষষ্ঠ পর্বঃ শ্রীশ্রীহরি - গুরুচাঁদ ঠাকুর ও আলোর পথ : ঊন - বিংশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষে এক ঘোর তমসাময় পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল একশ্রেণীর মানুষের দ্বারা । এরা কোন বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত নয় । যারা অলীক ধর্মের নামে , শাস্ত্র - গ্রন্থের নাম করে মূলনিবাসী - দের সমস্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে দাসত্বের শৃঙখলে আবদ্ধ করেছিল কয়েক শত বৎসর । নিজেদের স্বার্থ কায়েম করবার জন্য , ছলে - বলে - কৌশলে সমাজকে ঠেলে দিয়েছিল এক অন্ধকারাচ্ছন্ন নরকে ; এমনকি রাজশক্তিকেও এরা  করেছিল কব্জাগত । হিন্দু রাজার সময় এরা সেজেছে বড় পুরোহিত আবার মুসলীম রাজার সময় এরাই গো - মাংস ভক্ষণকারী ! এককথায় এরাই হল ‘ ব্রাহ্মণ্যবাদী ’ । কোন বিশেষ সম্প্রদায় নয় । সমাজের সেই ঘোর তমসাময় অবস্থায় মানুষ রাস্তা দিয়ে স্বাধীনভাবে চলাফেরার অধিকারও হারিয়েছিল ; ছিল না কোন মর্যাদা । ধর্মের নামে এত অত্যাচার , শাষন ও শোষনে মানুষ ভুলতে বসেছিল তাঁর আত্মধর্ম । নিজেকে হীন ভাবতে শুরু করেছিল এবং শুরু হয়েছিল ধর্মান্তরিত হবার প্রবণতা ও যুগ সংকট । এই যুগ সংকট থেকে মুক্ত হবার উদাত্ত আহ্বান নিয়ে ১৮১২ খ্রীষ্টাব্দের ১১ই মার্চ বুধবার পূর্ববঙ্গের ফ...